- Get link
- X
- Other Apps
Essay - Empowerment of Women/Role of Women in Bangladesh রচনা - নারীর ক্ষমতায়ন / বাংলাদেশে নারীর ভূমিকা
Essay - Empowerment of Women/Role of Women in Bangladesh রচনা - নারীর ক্ষমতায়ন / বাংলাদেশে নারীর ভূমিকা
Essay - Empowerment of Women/Role of Women in Bangladesh
Introduction: Man is the best creation of Almighty. Here 'man' means both male and female. Our Creator has endowed human beings with rationality and sanity. To develop and flourish these rare phenomena, both male and female must be needed. A country can not be developed without empowerment of women which is an important aspect in the concept of both global and national development. Women's contributions are indispensable for socio-economic development. So their participation is to be ensured in development work.
Global background: To pace with the present world women folk can be turned into an asset by ensuring their active involvement. Need of women development and their involvement in the production oriented projects are recognised in the world. So the matter is not a domestic issue only. Rather the global world concept is to be considered. The UN is actively working for women development as well as empowerment. World Women's Day was declared in 1975 and its object was empowerment of women. establishing of rights in the family, society and work fields. First World Women Conference was held in Mexico in 1875 for women empowerment.
Bangladesh background: The empowerment of women in Bangladesh has long been felt. To face gender discrimination, indifference to women's fundamental rights and constitutional equity with males Bangladesh government formed women Rehabilitation Board. In 1978 Women Affairs Ministry was formed to monitor the government steps relating to empowerment to women.
Empowerment of women in administration and politics: At present about 10,000 women are employed in administration and management jobs. A few women are in secretarial posts now. In Bangladesh 25 million women are labour force, 79% are in agro-based sector. 9.9% in manufacturing and transportation sector, 2.2% in marketing sector and 0.6% in clerical posts. In Banking 01 general manager, in police department 05 women supers and 01 Brigadier woman in AMC. Out of total 85,000 women 1% in ministries, 16% in autonomous bodies and 82.5% in official jobs are employed. A very small number of women are in politics and parliament now. It is mentionable that our prime Minister and opposite leader are women which is good for Bangladesh.
Steps of empowerment and real situation: The first and foremost factor for women development is education. Education is necessary for awakening consciousness in women. Preconditions for empowerment of women are (1) to change their status and financial condition; (i) to make them participate in decision making and controlling affairs. Women are under the jaws of household maintenance, child rearing, child birth but they hardly get recognition of their -rights. Women participate in the manual labour in the garment industries like their male counterparts and, moreover, they work for 21 hours a day which is more than the males. Due to family code and religious rigours women's rights and entity are defied.
Role of NGO in women empowerment: There is progressive action programme for empowerment of women b in NGO sector. ADAB a top level NGO organisation has five women in the executive committee. Many voluntary organisations are working for driving consciousness, generating income sources and investment orienting schemes so that women strive for self employment.
Bars to women empowerment: There are a lot of bars against women empowerment and women development. Women are compelled to work at low wage in agriculture or other non-recognised sectors. Thinking and planning for women empowerment is not less both in government and non-government levels but materialisation of thinking and planning is still in question.
According to constitution of Bangladesh: Any gender discrimination to women is strictly prohibited due to religion, creed, place and birth. For women development and empowerment our government has founded Women Rehabilitation ad Welfare Rehabilitation Board, Foundation, National Women Organisation, Women Affairs Directorate and Independent Women and Children Affairs Ministry. Women Directorate has is branches in 64 districts and 136 thanes. National Women Organization has mobilised its activities in 236 thanes. Government has declared female education free unto 12 class. Food grain and compensation for female student is given every month. Role of women representative in local bodies and state politics is ensured to accelerate the process of empowerment of women in Bangladesh. Reservation of 15% seats for women in the parliament has been made. This provision in the constitution will enhance role of women in rural affairs.
Conclusion: It is a must for making women economically, socially and politically self-reliant and empowered. Empowerment of women is a matter where women will compete with men in equal rights to build up a beautiful world. Discrimination between male and female will be uprooted and the next generation will see a new peaceful world.
রচনা - নারীর ক্ষমতায়ন / বাংলাদেশে নারীর ভূমিকা
ভূমিকা: মানুষ সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। এখানে 'মানুষ' বলতে নারী ও পুরুষ উভয়কেই বুঝানো হয়েছে। আমাদের মানবজাতিকে বিচারপতি ও মানসিক সুস্থতা দান করেছেন। এগুলোর ক্রমবিকাশের ও সমৃদ্ধির বিরল ঘটনা, নারী ও পুরুষ উভয়েরই অবশ্যই প্রয়োজন। নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া একটি দেশ উন্নতি করতে পারে না যা বিশ্বব্যাপী ও জাতীয় উভয় উন্নয়নের বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য নারীর অবদান অপরিহার্য। তাই, উন্নয়নমূলক কাজে তাদের অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা বিধান করতে হবে।
বৈশ্বিক পটভূমি: বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তালমিলিয়ে চলতে, তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের নিশ্চয়তার বিধান রেখে নারী জাতিকে সম্পদে রূপান্তরিত করা যেতে পারে। নারীর উন্নয়ন আবশ্যক এবং উৎপাদনমুখী প্রকল্পে তাদের সম্পৃক্ততা বিশ্বে স্বীকৃত। তাই বিষয়টি শুধু ঘরোয়া বিষয় নয়। বরং সামগ্রিক বিশ্বের ধারণাকে বিবেচনা করতে হবে। জাতিসংঘ সক্রিয়ভাবে নারীর উন্নয়নের মতো ক্ষমতায়নের জন্যও কাজ করছে। ১৯৭৫ সালে বিশ্ব নারী দিবস ঘোষণা করা হয়েছে এবং এর উদ্দেশ্য ছিল নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবারে, সমাজে ও কর্মক্ষেত্রে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। ১৮৭৫ সালে মেক্সিকোতে নারীর ক্ষমতায়নের জন্য প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশের পটভূমি: বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন উপলব্ধি করা হচ্ছে। লিঙ্গ বৈষম্য নারীর মৌলিক অধিকারের প্রতি উদাসীনতা ও পুরুষের সাথে সাংবিধানিক ন্যায়পরায়ণতা দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করতে বাংলাদেশ সরকার নারী পুনর্বাসন বোর্ড গঠন করেছে। ১৯৭৮ সালে নারী বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়, নারীর ক্ষমতায়ন সংশ্লিষ্ট সরকারি পদক্ষেপ পরীক্ষণের জন্য।
প্রশাসন ও রাজনীতিতে নারীর ক্ষমতায়ন: বর্তমানে প্রায় ১০,০০০ নারী প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা কাজে নিয়োজিত আছে। স্বল্পসংখ্যক নারী বর্তমানে সচিব পদে আছেন। বাংলাদেশে ২ কোটি ৫০ লক্ষ কর্মক্ষম নারী আছে। তার মধ্যে ৭৯% কৃষিভিত্তিক শাখায়, ৯.৯% উৎপাদন ও পরিবহন শাখায়, ২.২% বিপণন শাখায় ও ০.৬% করনিক পদে কর্মরত আছে। ব্যাংক চাকরিতে ১ জন মহাপরিচালক, পুলিশ বিভাগে ৫ জন পরিদর্শক ও ১জন বিগ্রেডিয়ার নারী সহকারী মেট্রোপলিটন কমিশনার আছে। মোট ৮৫,০০০ নারীর মধ্যে ১% মন্ত্রী, ১৬% স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় ও ৮২.৫% অফিসিয়াল কাজে নিয়োজিত। খুব স্বল্পসংখ্যক নারী এখন রাজনীতি ও সংসদে আছে। এটি উল্লেখযোগ্য যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী নেত্রী নারী যা বাংলাদেশের জন্য শুভ।
ক্ষমতায়নের পদক্ষেপ ও প্রকৃত অবস্থান: নারীর উন্নয়নের জন্য সর্বাগ্রে যে উপাদানটি প্রয়োজন তাহলো শিক্ষা। নারীরা সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। নারীর ক্ষমতায়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে (১) তাদের পদমর্যাদা আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন; (২) সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কর্তৃত্ব বিষয়ে তাদেরকে অংশগ্রহণ করাতে হবে। নারীর পরিবার ভরণপোষণ, শিশু লালন পালন, শিশু জন্ম নেয়া ইত্যাদি গ্লানির শিকার কিন্তু তারা তাদের অধিকারের স্বীকৃতি পায়। না বললেই চলে।
নারীরা পোশাক শিল্পে তাদের পুরুষ পরিপূরকের মতো কায়িক শ্রমে অংশগ্রহণ করে এবং অধিকন্তু তারা দিনে ২১ ঘণ্টা কাজ করে যা পুরুষদের চেয়ে বেশি। পরিবারের নিয়মাবলি ও ধর্মীয় অনুশাসন, নারীদের অধিকার ও সত্তাকে অগ্রাহ্য করা হয়।
নারীর ক্ষমতায়নে বেসরকারি সংস্থার ভূমিকা: নারীর ক্ষমতায়নে বেসরকারি সংস্থায় প্রগতিশীল কর্ম পরিকল্পনা আছে। এ.ডি.এ.বি একটি উচ্চস্তরের বেসরকারি সংস্থা, যেখানে কার্যনির্বাহী কমিটিতে পাঁচ জন নারী আছে। অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা চেতনা জাগানো, আয়ের উৎস সৃষ্টি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিকল্পনার জন্য কাজ করছে যাতে নারীর আত্ম কর্মসংস্থানের জন্য চেষ্টা করে।
নারীর ক্ষমতায়নে প্রতিবন্ধকতা: নারীর ক্ষমতায়ন ও নারীর উন্নয়নে অনেক প্রতিবন্ধকতা আছে। নারীরা কৃষিক্ষেত্রে অথবা অন্যান্য অস্বীকৃতিপ্রাপ্ত সংস্থায় কম মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য হয়। সরকারি ও বেসরকারি উভয় পর্যায়ে 1 নারীর ক্ষমতায়নের ব্যাপারে ভাবনা ও পরিকল্পনা কম করা হয় না কিন্তু সেই ভাবনা ও পরিকল্পনার বাস্তবায়ন এখনো প্রশ্নাতীত রয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী: ধর্ম, ধর্মীয় মতবাদ, স্থান ও জন্মের কারণে নারীদের প্রতি কোনও লিঙ্গ বৈষম্য কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের জন্য আমাদের সরকার নারী পুনর্বাসন বোর্ড, পুনর্বাসন ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন, জাতীয় নারী সংস্থা, নারী বিষয়ক পরিচালকের দপ্তর এবং স্বাধীন নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করেছে। নারী পরিদপ্তরের ৬৪ জেলায় ও ১৩৬ থানায় এর শাখা আছে। জাতীয় নারী সংস্থা ২০৬ থানায় এর কার্যক্রম কার্যকরী করেছে। সরকার দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত নারী শিক্ষা অবৈতনিক ঘোষণা করেছে। ছাত্রীদের জন্য প্রতি মাসে খাদ্য শস্য ও ক্ষতিপূরণ দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে নারী ক্ষমতায়নের পদ্ধতিকে ত্বরান্বিত করতে, স্থানীয় দল ও রাষ্ট্রীয় রা রাজনীতিতে নারী প্রতিনিধিদের ভূমিকাকে নিশ্চিত করা হয়েছে। সংসদে র শতকরা ১৫ ভাগ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। সংবিধানে এই বন্দোবস্ত গ্রামীণ বিষয়ে নারীদের ভূমিকা বৃদ্ধি করবে।
উপসংহার: নারীদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আত্মনির্ভরশীল নারী ও ক্ষমতাশীল করতে এটি অত্যাবশ্যক। সুন্দর পৃথিবী গঠন করতে নারীর ক্ষমতায়ন একটি ব্যাপার যেখানে নারীরা পুরুষদের সাথে সমান অধিকারের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করবে। নারী পুরুষের মধ্যে বৈষম্যের মূলোচ্ছেদ ঘটবে ও পরবর্তী প্রজন্ম একটি নতুন শান্তিপূর্ণ পৃথিবী দেখবে।