- Get link
- X
- Other Apps
Essay - Birds of Bangladesh রচনা - বাংলাদেশের পাখি
Essay - Birds of Bangladesh
Introduction: Bangladesh is a country where numerous kinds of birds are found. These birds are the essential part of our life. The people of this country awake from sleep hearing the melodious songs of the birds. All day we hear the sweet songs and please us. These birds are the wonderful creation of Almighty.
Kinds: From morning till dusk, we see the presence of various kinds of birds. About 500 species of birds are found in our country. Among these 400 species are our natives and the rest come from abroad. These are our guest birds. They come in winter and depart in spring. These birds differ in size, colour and nature. Some are charming and some are ugly. Some are sweet-tongued and some are harsh. These varieties add the magnificent beauties of our birds.
Their habitation: Like their varieties, their dwelling places also have varieties. Some birds live in their nests on the branches of trees. Some birds live in our buildings and huts. Some others live in holes. Some birds live in forests.
Their food: Birds are our national wealth. They live on different foods. Some birds feed on worms and insects. Some feed on fish and flesh. Some others live on fruits and grains. Some birds steal food from our houses and live on that.
Common birds of Bangladesh: Bangladesh is a land of birds. Of the common birds, the crow comes first. Some of them are black and some are ash-colour. It is an early riser. Its voice is harsh. When it crows at dawn, we understand the appearance of the morning. It is very clever. It snatches food from our house. Sometimes it takes away food from our children if it gets chance.
Singing birds: We have some singing birds. Among these, the cuckoo, the doel, the baukathakao, the bulbuli are well- known. The cuckoo sings in spring and pleases our ears. It sits in shady grove. The doel is our national bird. It has a sweet voice. It satisfies us at the first arrival of spring. The doel flies from trees to trees raising its wings.
Talking birds: The parrot, the shalik, the mayna, the syama, the chandana are the talking birds. They can imitate human voice. When they imitate, it sounds like human children.
Tailor birds: The swallow, the tuntuni, the sparrow, the babui etc. are tailor birds. They build their nests in such a way that it seems like sewing. They usually make their nests on the flying branches of trees with great dexterity. The sparrow lives in the holes and ventilation of our houses. It builds its nest with straw. We are charmed at the skill of these birds in their art of weaving the nests.
Game birds: The pigeon, the partridge, the heron, the snipe, the dove, the teal are the game birds. Their flesh is very tasty. These game birds are found in every nook and corner of our country.
Plundering birds: The hawk, the kite, the vulture etc. are the plundering birds. The hawk and the kite have sharp nails and eyes. They swoop on their prey. Our rural female folk are always in tension when their fowling will be taken away by the hawk. The crane and the kingfisher stay on watery places and they catch small fishes to live on. The vulture is an ugly bird. It eats dead bodies of animals.
Usefulness: Birds are very useful to us. They charm us with their sweet songs and appearances. They are the source of our inspiration. The birds also provide food for us. Our pet birds are our daily company residing with us. These birds help to keep our ecological balance. They keep our environment to a dynamic balance.
Conclusion: The birds are our national wealth. They are the integral part of our life. They embellish our life smoothly. They add to our beauty and excellence. It is a matter of regret that some of our greedy people are hunting them. They must be stopped.
রচনা - বাংলাদেশের পাখি
ভূমিকা : বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে অসংখ্য প্রজাতির পাখপাখালি দেখা যায়। এই পাখিগুলো আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ। এ দেশের মানুষের পাখির সুমধুর গান শুনতে শুনতে ঘুম ভাঙে। সারা দিন আমরা পাখির মিষ্টি গান শুনি এবং আমাদেরকে আনন্দ দেয়। পাখি সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বিস্ময়কর সৃষ্টি। করে।
প্রকারভেদ : সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত, আমরা বিভিন্ন ধরনের পাখির - উপস্থিতি দেখি। আমাদের দেশে প্রায় ৫০০ প্রজাতির পাখি পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে ৪০০ প্রজাতি আমাদের দেশের এবং বাকিগুলো বাইরে থেকে আসে। এগুলো আমাদের অতিথি পাখি। তারা শীতকালে আসে এবং বসন্ত কালে চলে যায়। এ পাখিগুলো আকার, বর্ণ এবং স্বভাবে আলাদা। কিছু মনোমুগ্ধকর এবং কিছু কুৎসিত। কারোর কণ্ঠ সুমধুর এবং আবার কারো কর্কশ। এ বৈচিত্র্যতা আমাদের পাখিদের বিচরণে উল্লেখযোগ্য সৌন্দর্য বৃদ্ধি।
তাদের আবাসস্থল : তাদের বৈচিত্র্যের মতো তাদের বাসস্থানও বৈচিত্র্য। কিছু পাখি গাছের শাখার বাসায় থাকে। কিছু পাখি আমাদের দালনকোটায় এবং কুঁড়েঘরে বসবাস করে। কিছু গর্তে বাস করে। কিছু বনে জঙ্গলে বাস করে।
তাদের খাদ্য : পাখি আমাদের জাতীয় সম্পদ। তারা বিভিন্ন খাবার খেয়ে বেঁচে থাকে। কিছু পাখি পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ খায়। কিছু মাছ মাংস খায়। কিছু ফল ও শস্যকণা খায়। কিছু পাখি আমাদের বাসা থেকে খাবার চুরি করে এবং সেগুলো খেয়ে জীবন ধারণ করে।
বাংলাদেশের সাধারণ পাখি : বাংলাদেশ পাখির দেশ। সাধারণ পাখির মধ্যে কাক প্রথমে আসে। কিছু কালো এবং কিছু ছাই বর্ণের। এটা খুব ভোরে সজাগ হয়ে যায় । এদের স্বর কর্কশ। যখন এটি কা-কা ডাকে, আমরা সকালের উপস্থিতি বুঝতে পারি। এটি খুব চালাক। এটি আমাদের বাসা থেকে খাদ্য নিয়ে নিয়ে যায়। মাঝে মাঝে যদি এটি সুযোগ পায়, আমাদের শিশুদের কাছ থেকে খাবার নিয়ে যায় ।
গানের পাখি : আমাদের কিছু গানের পাখি আছে। এগুলোর মধ্যে কোকিল, দোয়েল, বহুকথাকও, বুলবুলি বেশি পরিচিত। কোকিল বসন্তকালে গান গায় এবং আমাদেরকে খুশি করে। এটি ঘন বনের মধ্যে বাস করে। দোয়েল আমাদের জাতীয় পাখি। এর একটি মিষ্টি স্বর আছে। এটি আমাদের বসন্তের আগমনে গান শুনিয়ে খুশি করে। দোয়েল পাখি এগাছ থেকে ওগাছে উড়ে বেড়ায়।
কথা বলা পাখি : তোতা পাখি, শালিক, ময়না, শ্যামা, চন্দনা হলো কথা বলা পাখি। তারা মানুষের কণ্ঠস্বর অনুকরণ করতে পারে। যখন তারা কোন সুর অনুকরণ করে, এটা ছোট ছেলে মেয়েদের মতো শব্দ করে।
দর্জি পাখি : দোয়েল, টুনটুনি, চড়ুই, বাবুই প্রভৃতি দর্জি পাখি। তারা এমন করে তাদের বাসা তৈরি করে যে এটা বোনা মনে হয়। তারা সাধারণত গাছের ঝুলন্ত শাখা প্রশাখায় দক্ষতার সাথে তাদের ঝুলন্ত বাসা তৈরি করে। চড়ুই পাখি গর্ত বা ভেন্টিলেটরের মধ্যে বাস করে। এটি খড় দিয়ে বাসা তৈরি করে। আমরা এসব পাখিদের বাসা তৈরির কৌশল দেখে মনোমুগ্ধ হই ।
খেলোয়ার পাখি : কবুতর, তিতির, বক পাখি, কাদাখোঁচা, পায়রা, বুনো হাঁস হলো খেলোয়াড় পাখি। তাদের মাংস খুব সুস্বাদু। এই পাখিগুলো আমাদের দেশের সর্বত্র পাওয়া যায়।
লুণ্ঠনকারী পাখি : বাজ, চিল, শকুন প্রভৃতি লুণ্ঠনকারী পাখি। বাজ এবং চিলের ধাঁরালো নখ এবং চোখ আছে। তারা তাদের শিকারিদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। গ্রাম্য মহিলারা সবসময় চিন্তায় থাকে কখন তাদের মোরগ মুরগি বাজপাখি নিয়ে যায়। সারস এবং মাছরাঙ্গা পাখি জলের ধারে বসবাস করে এবং তারা ছোট ছোট মাছ ধরে খায়। শকুন একটি কুৎসিত পাখি। এটি মৃত জীবজন্তুর মাংস খায়।
উপকারিতা : পাখি আমাদের খুব উপকারী। তারা তাদের মিষ্টি গান এবং উপস্থিতির মাধ্যমে আমাদের আকৃষ্ট করে। তারা আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। পাখি আমাদের জন্য খাদ্য সরবরাহ করে। আমাদের পোষা পাখি আমাদের নিত্য দিনের সঙ্গী হিসেবে বাস করছে। পাখি আমাদের বাস্তুসংস্থানগত ভারসাম্য রক্ষা করতে সহায়তা করে। তারা আমাদের পরিবেশের গতিময় ভারসাম্য রজায় রাখে।
উপসংহার : পাখি আমাদের জাতীয় সম্পদ। তারা আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ। অংশ। তারা সুন্দরভাবে আমাদের জীবন সুশোভিত করে। তারা আমাদের সৌন্দর্য এবং উৎকর্ষ বৃদ্ধি করে। এটা একটি পরিতাপের বিষয় যে আমাদের কিছু লোভী মানুষ তাদের শিকার করছে। তাদেরকে অবশ্যই থামাতে হবে।